নারীদের নারীত্ববোধ কবে হবে?- জান্নাতুল ফিরদাউছ

“আমি একজন নারী । আমার এই নারীত্বই আমার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান। আমি জীবন বিলিয়ে দেব তবু ও নারীত্বকে বিসর্জন দিতে পারবো না।”
হ্যাঁ । একজন নারীর কাছে এটাই নারীত্বের সঠিক মূল্যায়ন । একসময় নারীজন্মকে মনে করা হত অভিষাপ, নারীকেপুঁতে ফেলা হত জীবন্ত । নারী বাজারে উঠতো বানিজ্যীক পন্য হিসেবে। নারীর ছিলো না কোন অধিকার । নারী যেনো কোন মানুষ নয়, স্রেফ শুধু একজন নারী ।

সে বর্বরতা থেকে তোলে এনে ইসলাম নারীকে বসিয়েছে স্বর্নাসনে, দিয়েছে ন্যায্য অধিকার ।
কিন্তু আজ নারী সমান অধিকার চায়, স্বাধীনতা চায়, ছি নারী!তুমি এত বোকা! ন্যায্য অধিকার ছেড়ে তুমি সমান অধিকার চাও!

ধন্য তুমি,

তুমি আজ স্বাধীনচেতা ! শাবাশ নারী ! আচ্ছা? একটা প্রশ্ন আমার- নিজেকে স্বাধীনতার বাজারে টিকিয়ে রাখার সে ক্ষমতা কি তোমার আছে?

তবে কেন আজ ইভটিজিংয়ের শিকার তুমি । কেন হচ্ছো ধর্ষিতা?

জাহিলিয়্যাতের সে যুগ যেনো আবার ফিরে আসবে। আধুনিকতার বাজারে নারী এখন সস্তা পন্য। চোখ ফিরালেই নারী, হাত ঘোরালেই নারী!

নিজের নগ্ন দেহের প্রতি পুরুষের লুলুপ দৃষ্টিই যেনো এখন নারীর একমাত্র চাওয়া পাওয়া!

কালো বোরকার আড়ালে কোন নারী রাস্তায় বেরুলে ছোট ছেলে মেয়েরা এখন ভুত ভূত্ন বলে চেঁচায় ।

এটা কোন গল্প নয়, আমার দুবারের বাস্তব অভিজ্ঞতা । আর এটাই স্বাভাবিক, কারণ, সে প্রতিনিয়তই দেখে আসছে তার চারপাশের নারীরা অর্ধনগু দেহে, এলো চুলে ,খুব স্বাভাবিক ভাবেই চলা ফেরা করছে!

পশ্চিমা সভ্যতার নগ্নদেহী নারীরা কালো কাপড়ের ছায়ায় শান্তি খুঁজছে; আর মুসলিম তরুনীরা সেই কালো কাপড়কে ছুঁড়ে ফেলে আজ সুন্দরী প্রতিযোগীতায় নেমেছে!

সংগৃহীত।। ইসলামিক গল্প

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *