হযরত ওয়ায়েস কারণী (রঃ)।। ৩য় অংশ

ওয়ায়েস কারণী (রঃ)-এর সামনে হযরত ওমর (রাঃ)-এর খেলাফত তুচ্ছ মনে হলঃ

ছিন্নবস্ত্র পরিহিত এ মানুষটির অন্তজ্যোতি উপলব্ধি করে হযরত উমর (রাঃ) অভিভূত ও ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়লেন। সামান্য একটি লোক অথচ কী অসামান্য। সাধারন একটি মানুষ অথচ অসাধারণ। এর তুলনায় তুচ্ছ তাঁর খিলাফত তাঁর কর্তৃত্ব ও আধিপত্য। বিতৃষ্ণায় তার মন ভরে উঠল। তখন হযরত উমর (রাঃ) বললেন, এমনকি কেউ আছে যে, একখানি রুটির বিনিময়ে খিলাফতের দায়িত্ব নিতে পারে?

read more

হযরত ওয়ায়েস কারণী (রঃ)।। ২য় অংশ

আসন্ন মৃত্যু প্রাক্কালে মহানবী (সাঃ) তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী হযরত উমর (রাঃ) ও হযরত আলী (রাঃ)-কে বললেন, আমার মৃত্যুর পর আমার খিরকা হযরত ওয়ায়েস কারণী (রঃ)কে দিবে। তাঁকে আমার সালাম জানিয়ে বলবে, তিনি যেন আমার গুনাহগার উম্মতের জন্য দু’আ করেন। নবীজী (সাঃ) এর আদেশ যথাসময়ে পালিত হয়।

read more

হযরত ওয়ায়েস কারণী (রঃ)।। ১ম অংশ

হযরত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলতেন, ইয়েমেনের দিক থেকে আল্লাহর রহমতের সুগন্ধি বাতাস ভেসে আসছে বলে অনুভব করছি।

আল্লাহর রহমতের এ সুগন্ধি বাতাস হল একটি পবিত্র আত্না, পুষ্পিত হৃদয়। তাঁর নাম হযরত ওয়ায়েস কারণী (রঃ)

read more

মহানবী (সা.) এর যে কথা শুনে কেঁদেছিলেন আবু বকর (রা.)

একদিন হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) বিবি আয়েশা (রাঃ) কে ঢেকে জিজ্ঞেস করলেন, —–হে আয়েশা, আজকে আমি অনেক খুশি, তুমি আমার কাছে যা চাইবে তাই দেব, বল তুমি কি চাও? হযরত আয়েশা (রাঃ) চিন্তায় পড়ে গেলেন, হঠাৎ করে তিনি এমন কি চাইবেন, আর যা মন চায় তা তো চাইতে পারেন না! যদি কোন ভুল কিছু চেয়ে বসেন, নবীজী যদি কষ্ট পেয়ে যান? এমন অনেক প্রশ্নই মনে জাগতে লাগলো! আয়েশা (রাঃ) নবীজী কে বললেন, আমিকি কারো কাছ থেকে কিছু পরামর্শ নিতে পারি? নবীজী বললেন, ঠিক আছে তুমি পরামর্শ নিয়েই আমার কাছে চাও। আয়েশা (রাঃ) হযরত আবুবকর (রাঃ) এর কাছে পরামর্শ চাইলেন। আবুবকর (রাঃ) বললেন, যখন কিছু চাইবেই, তাহলে তুমি মুহাম্মাদ (সাঃ) এর কাছে, মিরাজের রাতে আল্লাহ পাক রাব্বুল আ’লামীন এর সাথে হইছে এমন কোন সিক্রেট কথা জানতে চাও।

read more

আল্লাহর রহমত অনেক বড়!

ভারতবর্ষের এক দরিদ্র ছেলে রাতের বেলা কোরআন পড়ছিল। হঠাৎ তেল শেষ হয়ে
বাতিটা নিভে যাওয়ায় ছেলেটি মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলো, ‘হে
আল্লাহ, আমায় এত গরীব করে কেনো দুনিয়াতে পাঠালে? তেল কিনে কোরআন
পাঠ করার সামর্থও যে আমার নাই’।
তখন ঐ ছেলেটির কান্না শুনে এক যুবক তার দরজায় কড়া নারলো।ছেলেটি দরজা খোলার পর তাকে জিজ্ঞাসা করলো, ‘তুমি কাঁদছো কেনো?’
অতঃপর ছেলেটি তাকে বললো, ,আমি এতই গরীব যে তেল কিনে কোরআন তেলাওয়াত করতেও পারছিনা’।যুবকটি বললো, ‘তুমি কেঁদনা আমি তোমার
জন্য কেরোসিন নিয়ে আসছি।কিছুক্ষন পরে যুবকটি কেরোসিন কিনে এনে
বললো, ‘আমি জীবনে আর মদ খাব না। এতদিন যত টাকার মদ খেতাম এখন থেকে সেই টাকা দিয়ে তোমাকে কোরআন পড়ার জন্য কেরোসিন কিনে দেব’।
ওই রাতেই যুবকটি মারা গেলেন কিন্তু সে মদ খেত বলে এলাকার লোকজন কেউ তার দাফন কাফন করতে চাইলো না । এমনকি তার লাশ ঐ এলাকার কবরস্হানে দাফন করতেও দিবেনা বলে জানালেন। অতঃপর যুবকটির লাশ জঙ্গলে ফেলে রেখে আসা হল। কিন্তু আল্লাহর কি কুদরতি মহিমা তিন দিন তিন রাত অতিবাহিত হবার পরেও লাশটি সম্পূর্ন অক্ষত অবস্হায় ছিল। বনের কোনো হিংস্র জন্তু জানোয়ার ছিড়ে খাবে তো দূরের কথা একটা পোকা মাকড়ও তার মৃতদেহ স্পর্শ করেনি। এমনি ভাবে চার দিন কেটে যাবার পর ঐ এলাকার তিনজন আল্লাহ ওয়ালা লোক স্বপ্নে দেখলেন যুবকটির লাশ দাফন করতে হবে। পরের দিন তারা তিন জন মিলিত হয়ে লাশটিকে জঙ্গল থেকে তুলে এনে গোসল করিয়ে কাফন পড়িয়ে জানাযার আয়োজন করলেন, কিন্তু এলাকাবাসী বললেন একটা মদখোরের জানাযা আমরা পড়বো না। তাই অল্প কিছু লোক নিয়েই জানাযা আদায় করার পর মৌলভী সাহেব জানতে চাইলেন এমন কেউ কি নাই যে এই মৃত ব্যক্তির একটি ভাল কাজের কথা বলতে পারবে ?
তখন একজন লোক হাত তুললেন যার কাছ থেকে যুবকটি ঐ গরীব ছেলেটির জন্য
কেরোসিন কিনেছিলেন।দোকানদার লোকটি বললো, ‘আমি তাকে বলতে শুনেছি জীবনে অনেক পাপ করেছি, দেখি এই ভালো কাজের বিনিময়ে আল্লাহ আমাকে মাফ করেন কিনা ?
জানাযার একেবারে পিছন থেকে একটা ছেলের কান্নার আওয়াজ পাওয়া গেল। এই
ছেলেটিই হল সেই কোরআন পাঠ করা ছেলেটি। সে উপস্হিত সবাইকে উদ্দেশ্য করে
বললো, ‘আজ রাতে আমি স্বপ্নে দেখেছি, যিনি আমাকে কোরআন পাঠ করার জন্য এক
টিন কেরোসিন কিনে দিয়েছিলেন তিনি বিশ্ব নবীর সাথে জান্নাতে প্রবেশ করছেন’।
সংগৃহীত
;

read more

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) এর ১১টি বিশেষ উপদেশ

১. যদি পরিপূর্ণ ঈমানওয়ালা হতে চাও, তবে উত্তম চরিত্র অর্জন করো।

২. যদি সবচেয়ে বড় আলেম বা জ্ঞানী হতে চাও, তবে তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) অর্জন করো।

৩. যদি সবচেয়ে বেশি সম্মান পেতে চাও, তবে মানুষের নিকট হাত পাতা (অন্যের ওপর ভরসা করা, ভিক্ষা করা) বন্ধ করে দাও।

read more

দরুদ পাঠের ফজিলত

দুনিয়ার সব মানব সন্তান থেকে নিয়ে প্রাণিকুল, এমনকি প্রত্যেকটি বালুকণা পর্যন্ত যে মহান সত্তার রহমতের কাছে ঋণী, তিনি হলেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। যাঁকে মহান রাব্বুল আলামিন সৃষ্টিকুলের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছেন। ওই মহান ব্যক্তির ঋণ শোধ করতে গিয়ে মানুষ গায়ের চামড়া দিয়ে জুতো বানিয়ে দিলেও এ ঋণ পরিশোধ হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু আমাদের প্রতি তাঁর চাওয়া আর কিছুই নয়, শুধু একটিই দাবি- আর তা হলো আল্লাহর বান্দারা সবাই আমার আদর্শ আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করে নাও। আর এতেও তোমাদেরই কল্যাণ, নতুবা তোমরাই বিপথগামী হবে, আমার ক্ষতির কিছুই নেই।

read more

নারীদের নারীত্ববোধ কবে হবে?- জান্নাতুল ফিরদাউছ

“আমি একজন নারী । আমার এই নারীত্বই আমার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান। আমি জীবন বিলিয়ে দেব তবু ও নারীত্বকে বিসর্জন দিতে পারবো না।”
হ্যাঁ । একজন নারীর কাছে এটাই নারীত্বের সঠিক মূল্যায়ন । একসময় নারীজন্মকে মনে করা হত অভিষাপ, নারীকেপুঁতে ফেলা হত জীবন্ত । নারী বাজারে উঠতো বানিজ্যীক পন্য হিসেবে। নারীর ছিলো না কোন অধিকার । নারী যেনো কোন মানুষ নয়, স্রেফ শুধু একজন নারী ।

read more

স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো?।। ২য় অংশ

সাজিদ বললো,- ‘স্যার, গত শতাব্দীতেও বিজ্ঞানিরা ভাবতেন, এই মহাবিশ্ব অনন্তকাল ধরে আছে।মানে, এটার কোন শুরু নেই।তারা আরো ভাবতো, এটার কোন শেষও নাই।তাই তারা বলতো- যেহেতু এটার শুরু-শেষ কিছুই নাই, সুতরাং, এটার জন্য একটা সৃষ্টিকর্তারও দরকার নাই।

read more

স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো?।। ১ম অংশ

দ্বিতীয় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ল্যাম্পপোষ্টের অস্পষ্ট আলোয় একজন বয়স্ক লোকের ছায়ামূর্তি আমাদের দৃষ্টিগোচর হলো।গায়ে মোটা একটি শাল জড়ানো। পৌষের শীত। লোকটা হালকা কাঁপছেও।

আমরা খুলনা থেকে ফিরছিলাম। আমি আর সাজিদ।

read more